পেস, মোট সময় ও দূরত্বের যেকোনো দুটি দিন, তৃতীয়টি সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে আসবে। একই পেস ট্রেডমিল গতিতে (km/h) রূপান্তরিত হয়, প্রতি কিলোমিটার বা মাইলের ক্রমসঞ্চিত স্প্লিট টেবিল তৈরি হয়, আর রিগেল সূত্রে অন্য দৌড়ের দূরত্বে সম্ভাব্য সময়ও দেখা যায়।
স্প্লিট টেবিল ধরে নেয় পুরো পথ একই পেসে চলবে। বাস্তবে প্রথম কিলোমিটার লক্ষ্যের চেয়ে 5–10 সেকেন্ড ধীরে শুরু করলে শেষ দিকে ভেঙে পড়ার চেয়ে ক্ষতি কম হয়।
ওই সংখ্যাটাই ট্রেডমিলের স্পিড কন্ট্রোলে বসিয়ে দিন — যেমন 5:00/km মানে 12.0 km/h। বেশির ভাগ ট্রেডমিল 0.1 ধাপে চলে, তাই এক দশমিক পর্যন্তই দেখানো হয়।
রিগেল সূত্র (সূচক 1.06) দিয়ে হিসাব। কাছাকাছি দূরত্বে (5K থেকে 10K) ভালোই মেলে, তবে 5K থেকে অনুমান করা ম্যারাথন সাধারণত বাস্তবের চেয়ে দ্রুত আসে — লম্বা দৌড় সহনশক্তির অনুশীলনের ওপর অনেক বেশি নির্ভর করে।
একই জিনিস উল্টো করে বলা। পেস হলো প্রতি কিলোমিটারে কত মিনিট, গতি হলো ঘণ্টায় কত কিলোমিটার। বাইরে দৌড়ালে পেসে, ট্রেডমিলে গতিতে কথা হয়।
না। একক বদলালে একই দূরত্ব সেই এককে দেখানো হয় — 10 কিমি হয় 6.21 মাইল, ফলাফল একই থাকে।